
নিজেস্ব প্রতিবেদক:
যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিভাগে নাজমুস সাকিব নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভুয়া চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীর দাবি, তার চিকিৎসায় গাফিলতির কারণে শেষ পর্যন্ত প্রায় এক লাখ টাকা ব্যয় করতে হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, বহির্বিভাগের ১২৩ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী জানান, তিনি নির্ধারিত চিকিৎসকের জন্য টিকিট কাটলেও চেম্বারে ঢোকার পর নাজমুস সাকিব তার হাত থেকে টিকিট নিয়ে নিজেই রোগী দেখেন। সে সময় কক্ষে দায়িত্বরত চিকিৎসক উপস্থিত থাকলেও বিষয়টি নিয়ে কোনো আপত্তি তোলেননি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর ভাষ্য, নাজমুস সাকিব নিজেকে অর্থোপেডিক্স চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দিয়ে চিকিৎসা দেন। পরবর্তীতে রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বেসরকারি হাসপাতালে নিতে হয় এবং সেখানে অস্ত্রোপচারসহ চিকিৎসায় উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, নাজমুস সাকিব দীর্ঘদিন ধরে কোনো আনুষ্ঠানিক নিয়োগ বা অনুমতি ছাড়া হাসপাতালে রোগী দেখছেন। তিনি হাসপাতাল থেকে কোনো বেতন পান না বলেও দাবি করা হয়েছে। রোগীদের বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পাঠানো এবং নির্দিষ্ট চিকিৎসকের কাছে রেফার করার মাধ্যমে কমিশন নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। ওষুধ কোম্পানি থেকেও কমিশন নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া শহরের ছাতিয়ানতলা এলাকায় তার নিজস্ব চেম্বার রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক বলেন, “আমি তাকে চিনি না। তিনি চেম্বারে সহকারী হিসেবে থাকার জন্য আবেদন করেছিলেন, তবে তাকে কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি।”
অভিযুক্ত নাজমুস সাকিবের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী।