হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আহসান কবীর বাপ্পী তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে কমিটিতে কতজন সদস্য রয়েছেন এবং কারা দায়িত্ব পেয়েছেন, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানাতে রাজি হননি।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ জুন মেডিসিন স্টোরের রেজিস্টারে স্বাক্ষর করে ৫ হাজার পিস কেফুক্লেভ ট্যাবলেট গ্রহণ করেন ফার্মাসিস্ট জহুরুল ইসলাম। নিয়ম অনুযায়ী, স্টোর থেকে ওষুধ নেওয়ার পর তা হাসপাতালের ফার্মেসিতে জমা এবং রোগীদের মধ্যে বিতরণের হিসাব রেজিস্টারে সংরক্ষণ করার কথা।
তবে ফার্মেসির রেজিস্টার পর্যালোচনায় ওই পরিমাণ ওষুধ জমা ও বিতরণের প্রয়োজনীয় হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এ ঘটনায় হাসপাতালের সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে হাসপাতালের এক কর্মচারী দাবি করেন, ফার্মেসিতে ওষুধের হিসাবের অসঙ্গতিটি প্রথমে নজরে আসে। তার ধারণা, বিপুল পরিমাণ ওষুধের হিসাব না মেলার ঘটনায় একাধিক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তদন্তের মাধ্যমে তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়নি। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর ওষুধের হিসাবের প্রকৃত অবস্থা এবং এ ঘটনায় কারও দায়িত্ব বা সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট হবে।
যশোর জার্নাল
প্রকাশক ও সম্পাদক: মোঃ আসিফ আকবর সেতু।
মোবাইলঃ +৮৮ ০৯৬৯৬০৭০৩৯১
Gmail: jashorejournal@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত