1. live@www.jashorejournal.com : jashorejournal.com : jashorejournal.com
  2. info@www.jashorejournal.com : jashorejournal.com :
শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যশোরে অস্ত্র উদ্ধার মামলায় আরও দুইজন আটক করোনার টিকার পর এলার্জি বেড়েছে—অভিযোগ যশোরে ধ’র্ষ’ণ অভিযোগ ঘিরে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, ১০ লাখ টাকার ‘ব্ল্যা’কমেইল’ দাবিতে সংবাদ সম্মেলন যশোরে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মরহুম আব্দুল জলিল খানের ২৭তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত যশোরে ডা. রাফসান জানির বিরুদ্ধে সাংবাদিকের ৫০ লাখ টাকার মানহানি মামলা দায়ের প্রতিমন্ত্রীর পরিদর্শনের পর যশোরে তেলপাম্পে অভিযান, জরিমানা যশোরের দিনে দুপুরে মোটরসাইকেল চুরি, থানায় অভিযোগ ঈদে জুতা কেনায় প্রতারণার অভিযোগ, যশোরে ভোক্তাদের ক্ষোভ চুয়াডাঙ্গা থেকে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজন নিহত জ্বালানি সংকট ও নিরাপত্তাহীনতায় পেট্রোল পাম্প বন্ধের আশঙ্কা

যশোরে যুবদল নেতাকে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে চাঁদা আদায়, ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

জিহাদ হোসেন
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৬১৬ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট:

যশোরের শার্শায় ১৭ বছর আগের একটি ঘটনার অভিযোগে সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, সাবেক ওসিসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা ও আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল মিন্টু।

বাদী মিন্টু শার্শা উপজেলার শ্যামলাগাছি গ্রামের বাসিন্দা এবং তৎকালীন যুবদলের দপ্তর সম্পাদক ছিলেন। বর্তমানে তিনি উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য।

মামলায় আসামি করা হয়েছে— সাবেক শার্শা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবীর উদ্দিন তোতা, উপজেলা কৃষকদল সভাপতি রফিকুল ইসলাম, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, তৎকালীন শার্শা থানার ওসি এস. এম. বদরুল আলম, এসআই আব্দুস সালাম, এসআই রকিবুজ্জামান, এসআই ইকবাল আহমেদ, এএসআই আজাদ হাওলাদার, কনস্টেবল সুলতান আলম, রিয়াজুল ইসলাম, এরশাদুল হক ও আবুল কালামকে।

অভিযোগে বলা হয়, ২০০৮ সালের ১৬ জুন রাতে মিন্টুকে তার চাচার বাড়ি থেকে পুলিশ সদস্যরা তুলে নিয়ে থানায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করা হয়। নির্যাতনের সময় তার কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয় এবং টাকা না দিলে ‘ক্রসফায়ারে দেওয়া হবে’ বলে ভয় দেখানো হয়।

পরবর্তীতে স্বজনরা ৫ লাখ টাকা দিলেও বাকি টাকা না দেওয়ায় তাকে অস্ত্র মামলায় জড়ানো হয়। গুরুতর নির্যাতনের ফলে তিনি দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়।

ঘটনার পর মানসিক ও শারীরিক কষ্টে ভুগতে থাকেন মিন্টু। এমনকি তার মায়ের মৃত্যুর জন্যও এই ঘটনার প্রভাব দায়ী বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় মামলা করতে দেরি হয় বলে তিনি জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার যশোর জার্নাল এ সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।

ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট