1. live@www.jashorejournal.com : jashorejournal.com : jashorejournal.com
  2. info@www.jashorejournal.com : jashorejournal.com :
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শ্রমবাজার উন্মুক্ত ও অবৈধ বাংলাদেশিদের বৈধতার আহ্বান, মালয়েশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যাশা যশোরে বেকারি কারখানায় র‌্যাবের অভিযান, উদ্ধার ২৯ বোতল মাদক উইনকরেক্স যশোরে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান, চার প্রতিষ্ঠানের জরিমানা এক লাখ টাকা দুবাইয়ে গ্রেফতার সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ, দেশে ফেরাতে তৎপর দুদক ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ পুরো পরিচালনা পর্ষদ বাতিল রোগীর মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা, লাশ হস্তান্তর নিয়ে বিতর্ক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক আসিফ আকবর সেতুকে দেখতে গেলেন বিএমএসএস নেতৃবৃন্দ অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় গিয়ে হামলা ও লুটের শিকার সাংবাদিক যশোরে মাদকবিরোধী অভিযানে ২ হাজার ১০৫ পিস ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেফতার চৌগাছায় প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে ইউপি সদস্যকে ঘিরে উত্তেজনা

যশোরে লাউকুন্ডা মাদ্রাসার মেহগনি গাছ বিক্রি নিয়ে বিতর্ক, প্রশাসনিক অনুমতির প্রশ্নে ধোঁয়াশা | যশোর জার্নাল

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ জুন, ২০২৫
  • ৬৯৮ বার পড়া হয়েছে

নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ

যশোরের মনিরামপুর উপজেলার ঢাকুরিয়া ইউনিয়নের লাউকুন্ডা মাদ্রাসার চারটি পুরনো মেহগনি গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া। অভিযোগ উঠেছে, গোপনে এসব মূল্যবান গাছ বিক্রি করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক দপ্তরের কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদ্রাসা চত্বরে থাকা গাছগুলো সম্প্রতি কেটে বিক্রি করা হয়। এ প্রসঙ্গে মাদ্রাসার সাবেক শিক্ষক মাওলানা মোশাররফ হোসেন দাবি করেন, “ভবন নির্মাণের প্রয়োজনেই গাছ বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং মৌখিকভাবে প্রশাসনিক অনুমতি নেওয়া হয়েছিল।”

তবে এই বক্তব্যকে সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবি করেছেন মনিরামপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিয়াজ মাখদুম। তিনি বলেন, “আমি কোনো ধরনের মৌখিক বা লিখিত অনুমতি দিইনি। যদি কেউ এমন কিছু বলে থাকে, তাদের লিখিত প্রমাণ দেখানোর আহ্বান জানাচ্ছি।”

মাদ্রাসার বর্তমান প্রধান শিক্ষক মাওলানা হাফিজুর রহমান বলেন, “গাছ কাটার বিষয়ে আমাকে কিছু জানানো হয়নি। বিষয়টি সম্পূর্ণ অজানা আমার কাছে।”

এছাড়া ঢাকুরিয়া ইউনিয়নের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমার জানা মতে, এই গাছ কাটার পেছনে কোনও বৈধ অনুমতি ছিল না। তবে উপর মহলের কোনও নির্দেশনা থাকলে সেটি আলাদা বিষয়।”

গাছের ক্রেতার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে প্রথমে তিনি সঠিক দাম জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন। পরে জানান, “চারটি গাছ ২ লাখ ২০ হাজার টাকায় কেনা হয়েছে।”

এ ঘটনায় স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এটি একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্পদ। এভাবে গোপনে বিক্রি করা অনৈতিক এবং দুর্নীতির শামিল। কোনো টেন্ডার হয়নি, জনগণকে কিছু জানানো হয়নি—এটি সুস্পষ্ট অনিয়ম।”

সচেতন মহলের মতে, ঘটনার পেছনে কারা জড়িত তা নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি। পাশাপাশি, প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে যদি কেউ বেআইনিভাবে গাছ বিক্রি করে থাকে, তবে তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার যশোর জার্নাল এ সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।

ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট