
প্রায় দেড় যুগ পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে রাজধানীজুড়ে সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি নিরাপত্তার পাশাপাশি দলীয় পর্যায়েও পৃথক নিরাপত্তা ব্যবস্থার আয়োজন রাখা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সম্পূর্ণ সতর্ক ও সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, জননিরাপত্তা রক্ষায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. বাহারুল আলম জানান, একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে তারেক রহমানের জন্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। উর্দিধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদাপোশাকেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে পর্যাপ্তসংখ্যক গোয়েন্দা সদস্য মাঠে থাকবে। বিমানবন্দর থেকে গুলশান পর্যন্ত যাতায়াতপথে পুলিশের বিশেষ নজরদারি থাকবে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিমানবন্দর থেকে গুলশান পর্যন্ত সড়কে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে। প্রয়োজনে ডিএমপির সোয়াট টিমও দায়িত্ব পালন করবে। একই সঙ্গে তারেক রহমানের বাসভবন ও অফিস এলাকায়ও থাকবে কড়া নিরাপত্তা।
ডিএমপি সূত্র জানায়, প্রত্যাবর্তনের দিন ঢাকা মহানগরজুড়ে সামগ্রিকভাবে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। সম্ভাব্য জনসমাগম শৃঙ্খলাবদ্ধ রাখতে বিএনপির পক্ষ থেকেও নেতা-কর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
দলীয় সূত্র অনুযায়ী, বিমানবন্দর থেকে গুলশান পর্যন্ত তারেক রহমানের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম। তাঁর নেতৃত্বে চেয়ারপারসন সিকিউরিটি ফোর্সসহ একাধিক নিরাপত্তা টিম কাজ করবে।
বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন, ২৫ ডিসেম্বর লন্ডন থেকে ঢাকায় পৌঁছাবেন তারেক রহমান। এ উপলক্ষে দলের পক্ষ থেকে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হবে।