1. live@www.jashorejournal.com : jashorejournal.com : jashorejournal.com
  2. info@www.jashorejournal.com : jashorejournal.com :
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
৩৮৯ ভোটারের ‘পিতা’ একজন! শহীদ শরিফ ওসমান হাদী হত্যার বিচার দাবিতে যশোরে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ যশোরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ১০ গ্রেনেড ও ৩ বিদেশি পিস্তল উদ্ধার আচরণবিধি লঙ্ঘনে যশোর-৩ আসনের দুই প্রার্থীকে জরিমানা যশোরে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শীঘ্রই আগমন ‘এক বেলার আহার’ কর্মসূচিতে মানবতার পাশে যশোরের রাইডার্স কমিউনিটি স্ত্রী ও শিশুপুত্র হারানোর প্রেক্ষাপটে সাদ্দামকে ছয় মাসের জামিন চৌগাছায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৪০ বোতল উইন সিরেক্স উদ্ধার, একজন গ্রেপ্তার, একজন পলাতক যশোরে জাতীয় পার্টির নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা, মাইক ভাঙচুর ও ব্যানার ছেঁড়া রাইডারদের মানবিক উদ্যোগ: এক রাস্তায়, এক হৃদয়ে শীতবস্ত্র বিতরণ

৩৮৯ ভোটারের ‘পিতা’ একজন!

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট:

পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় চাঞ্চল্যকর অসঙ্গতির তথ্য সামনে এনেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। কমিশনের দাবি, রাজ্যের একাধিক এলাকায় একজন ব্যক্তিকে অস্বাভাবিক সংখ্যক ভোটারের পিতা বা অভিভাবক হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে, যা বাস্তব ও বৈজ্ঞানিকভাবে অসম্ভব।
নির্বাচন কমিশন সুপ্রিমকোর্টে জমা দেওয়া হলফনামায় জানিয়েছে, বীরভূম জেলার নানুর বিধানসভা এলাকায় একজন ভোটারের নামের সঙ্গে ৩৮৯ জন ভোটারকে সন্তান হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ ওই ৩৮৯ জন একই ব্যক্তিকে নিজেদের পিতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
কমিশনের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এমন ঘটনা শুধু বীরভূমেই নয়, রাজ্যের আরও কয়েকটি জেলায় পাওয়া গেছে। হাওড়ার সাঁকরাইলে একজন ব্যক্তিকে ৩১০ জন ভোটারের অভিভাবক হিসেবে দেখানো হয়েছে। মুর্শিদাবাদে এই সংখ্যা ১৯৯, দার্জিলিংয়ে ১৫২, জলপাইগুড়ির নাগরাকাটায় ১২০ এবং আসানসোলে ১৭০ জন ভোটার একই ব্যক্তিকে অভিভাবক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
নির্বাচন কমিশনের মতে, এই ধরনের তথ্য ভোটার তালিকায় বড় ধরনের গরমিল বা তথ্যগত ত্রুটির ইঙ্গিত দেয়। তাই সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে আলাদা করে যাচাই প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।
হলফনামায় আরও জানানো হয়, রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় ছয় জনের বেশি সন্তান থাকার তথ্য পাওয়া গেছে দুই লাখ ছয় হাজারেরও বেশি ভোটারের নথিতে। ১০ জনের বেশি সন্তানের উল্লেখ রয়েছে ৮ হাজার ৬৮২টি ক্ষেত্রে। সবচেয়ে উদ্বেগজনকভাবে, ৫০ জনের বেশি সন্তানের তথ্য পাওয়া গেছে ১০টি নথিতে এবং একশ জনের বেশি সন্তানের তথ্য মিলেছে সাতটি ক্ষেত্রে। এমনকি দুটি ক্ষেত্রে একজন ভোটারের সঙ্গে দুই শতাধিক ভোটার যুক্ত থাকার তথ্যও পাওয়া গেছে।
এই সব অসঙ্গতির কারণে সংশ্লিষ্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারদের মাধ্যমে নোটিস জারি করে শুনানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত আনম্যাপড ও তথ্যগত অসঙ্গতিযুক্ত এক কোটি ৫১ লাখের বেশি ভোটারকে শুনানির নোটিস পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে শুধু ছয় জনের বেশি সন্তান সংক্রান্ত কারণেই প্রায় ২০ লাখ ভোটারকে ডাকা হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গের বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিমকোর্টে মামলা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন ও দোলা সেন পৃথক মামলা দায়ের করেন।
আগামী বুধবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের জমা দেওয়া হলফনামার পর এই শুনানিকে ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
ভোটার তালিকায় ধরা পড়া এই বিপুল অসঙ্গতি রাজ্যের নির্বাচনী ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এখন বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিমকোর্ট কী নির্দেশ দেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহল।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮  

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার যশোর জার্নাল এ সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।

ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট