
আমি, মো. আলম, পিতা: মৃত অমেদ আলী সরদার, সাং: শংকরপুর জমাদ্দারপাড়া, যশোর শহরতলী, যশোর। আমি যশোর শ্রমিক ইউনিয়ন ২২৭-এর একজন নিয়মিত সদস্য। দীর্ঘদিন ধরে গড়াই কাউন্টারের স্টার্টার হিসেবে কর্মরত আছি এবং অবশিষ্ট সময়ে ইজিবাইক চালিয়ে সৎ উপার্জনে সংসার চালাই। আমার বিরুদ্ধে কখনো কোনো থানায় অভিযোগ আসেনি এবং আমি দেশের প্রচলিত আইন-কানুনের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল।
গত ২০ তারিখে বাংলার ভোর সংবাদমাধ্যমে “দালাল দৌরাত্ম্যে যশোর টার্মিনাল ফিলিং স্টেশন : ভোগান্তিতে গ্রাহক” শিরোনামে যে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, তাতে আমার নাম উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জড়িয়ে সম্পূর্ণ মিথ্যা, কাল্পনিক ও ভিত্তিহীন অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, যশোর টার্মিনাল ফিলিং স্টেশনকে কেন্দ্র করে একটি দালালচক্র সক্রিয় এবং এর সঙ্গে আমি (ইজিবাইক চালক আলম) জড়িত। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক।
আমি কখনো যশোর টার্মিনাল ফিলিং স্টেশনে কোনো ধরনের অবৈধ তেল বাণিজ্য, সিরিয়ালবিহীন তেল সরবরাহ, দালালি কিংবা কোনো চক্রের সঙ্গে জড়িত ছিলাম না এবং ভবিষ্যতেও থাকব না। প্রতিবেদনটি রিপোর্টারের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যাচার ও কল্পনাপ্রসূত মতবাদ ছাড়া আর কিছু নয়। আমার সুনাম ক্ষুণ্ন করার জন্য এবং আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করার জন্য এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।
আমি এই মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রতিবেদনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এ ধরনের অসাধু সাংবাদিকতা নিরীহ ব্যক্তির জীবিকা ও সম্মান নষ্ট করে এবং সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।
আমি একইসঙ্গে পত্রিকার সম্পাদক ও যশোর জেলা প্রশাসন, পুলিশ সুপার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, বিষয়টি তদন্ত করে দায়ী রিপোর্টার ও সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। যাতে ভবিষ্যতে কোনো নিরীহ ব্যক্তিকে এভাবে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে হয়রানি করা না হয়।
মো. আলম
ইজিবাইক চালক ও যশোর শ্রমিক ইউনিয়ন ২২৭-এর সদস্য
মোবাইল: ০১৭১৪৪৩৪১০০৭
শংকরপুর জমাদ্দার পাড়া, যশোর।