
নিজস্ব প্রতিবেদক:
যশোরে মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা করায় মাকে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুইজনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় এজাহার দিয়েছেন ভুক্তভোগীর স্বামী মো. হারুন বিশ্বাস।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, হারুন বিশ্বাসের মেয়ে সুরাইয়া আক্তারের বিয়ের পর থেকে আসামিদের একজন তার কাছে যৌতুক দাবি করে শারীরিক নির্যাতন করতেন বলে অভিযোগ। একপর্যায়ে গত ৩০ জুলাই মেয়েকে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করানোর খবর পান স্বজনরা। মেয়ের মৃত্যুকে সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তার মা বাদী হয়ে আদালতে মামলা করেন।
এ মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হারুন বিশ্বাস ও তার স্ত্রীকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, গত ১ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টার দিকে যশোর শহরের শংকরপুর বাস টার্মিনাল এলাকায় হারুনের স্ত্রী বিলকিছ বেগমকে মোটরসাইকেল দিয়ে পথরোধ করেন অভিযুক্তরা। পরে তাকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে একজন ধারালো চাকু দিয়ে তার বুকে আঘাত করার চেষ্টা করলে তিনি হাত দিয়ে ঠেকানোর চেষ্টা করেন। এতে তার ডান হাতের কবজির নিচে গুরুতর কাটা জখম হয়।
অভিযোগ রয়েছে, অপর অভিযুক্তও চাকু দিয়ে তার বাম হাতে পরপর কয়েকটি আঘাত করেন। এ সময় তার গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন, একটি মোবাইল ফোন এবং ব্যাগে থাকা নগদ টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।
পরে স্থানীয়রা আহত বিলকিছ বেগমকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য এজাহারে আবেদন করেছেন হারুন বিশ্বাস। **অভিযোগগুলোর সত্যতা তদন্তসাপেক্ষ।**