1. live@www.jashorejournal.com : jashorejournal.com : jashorejournal.com
  2. info@www.jashorejournal.com : jashorejournal.com :
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মনিরামপুরে ২০ টন ইউরিয়া সার নিয়ে অভিযোগ, কৃষি অফিসের নির্দেশে নেওয়ার দাবি ব্যবসায়ীর যশোর সদর উপজেলাতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান যশোরে আবাসিক ভবনে ‘ভেজাল মবিল’ প্যাকেটজাতের অভিযোগ, প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের ছত্রছায়ার দাবি যশোরের ভৈরব নদীতে বিজিবির উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্ত যশোরে বিশেষ অভিযানে ১৫৫ গ্রেপ্তার, আ.লীগের ২৭ নেতাকর্মীও আটক সাড়ে তিন বছর আগে মৃত হেফাজের নামে দাফন হলো কার? যশোরে ৬ কেজি গাঁজাসহ এক যুবক আটক সাংবাদিক শাহিনুর রহমান সোনাকে প্রাণনাশের হুমকি, তৃণমূল প্রেস সোসাইটি এর নিন্দা পতিত জমিতে সোনালী স্বপ্ন মাছ চাষে হালিমের ভাগ্য বদল চিকিৎসকের অবহেলার অভিযোগে প্রসূতির মৃত্যু, পেট কেটে জীবিত নবজাতক উদ্ধার; ক্লিনিক সিলগালা

মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী আহত হওয়া নিয়ে ভুল তথ্যের প্রতিবাদ, কর্তৃপক্ষের ক্ষোভ

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৬৮২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

যশোরের তানজিমুল উম্মাহ হিফয মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী রাইয়ানকে ঘিরে সাম্প্রতিক যে ঘটনা আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে, সেটিকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ করেছে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ।

ঘটনাটি ঘটে ১২ নভেম্বর সকালে। প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা যায়, হিফয বিভাগের শিক্ষক আব্দুস সামী রাইয়ানের হাত ধরে টান দিলে সে পিছলে মেঝেতে পড়ে যায় এবং হাতে সামান্য আঘাত পায়। পরে তাকে শিক্ষকদের আবাসিক কক্ষে বিশ্রাম দেওয়া হয়।

প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গে রাইয়ানকে হাসপাতালে পাঠান এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। চিকিৎসক প্রথমে হাতের কনুইয়ে চোটের আশঙ্কায় প্লাস্টার দিলেও পরবর্তী পরীক্ষায় নিশ্চিত হয়—তার হাতে কোনো ভাঙন বা ফ্র্যাকচার হয়নি।

ঘটনাটি জানামাত্রই শিক্ষক আব্দুস সামীকে তাৎক্ষণিক বহিষ্কার করা হয় এবং ওই রাতেই ফাউন্ডেশনের জরুরি বৈঠকে তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এদিকে, ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীর পরিবার এবং একটি তৃতীয় পক্ষ মাদ্রাসার কাছে ১ কোটি টাকা দাবি করে, যা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ ‘চাঁদা দাবি’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। কর্তৃপক্ষ দাবি প্রত্যাখ্যান করলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু গণমাধ্যমে ‘টর্চার সেল’সহ বিভিন্ন ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে পড়ে বলে অভিযোগ করেছেন তারা।

কর্তৃপক্ষ জানায়, যে কক্ষটিকে ‘টর্চার সেল’ বলা হচ্ছে সেটি আসলে শিক্ষকদের আবাসিক রুম—যেখানে নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার কারণে সিসি ক্যামেরা থাকে না। তবে পুরো ক্যাম্পাস সিসি ক্যামেরায় নজরদারির আওতায় রয়েছে।

প্রধান শিক্ষক বলেন,
“শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। দায়িত্বে থাকা একজন শিক্ষকের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়—তাই দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু কিছু পক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে অতিরঞ্জিত তথ্য ছড়িয়ে প্রতিষ্ঠানকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।”

তিনি আরো জানান, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে কঠোর নজরদারি ও নিয়মকানুন আরও জোরদার করা হবে।

সবশেষে, সঠিক তথ্য প্রকাশ হওয়ার পর অভিভাবকদের মধ্যে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল তা কেটে গেছে এবং তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার যশোর জার্নাল এ সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।

ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট