1. live@www.jashorejournal.com : jashorejournal.com : jashorejournal.com
  2. info@www.jashorejournal.com : jashorejournal.com :
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যশোরে প্রবাসফেরত ব্যক্তির ২০ লাখ টাকা ও ৫ ভরি স্বর্ণালংকার আত্মসাতের অভিযোগ, স্ত্রীসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা” মণিরামপুরে কিশোরীর অপমৃত্যু, আত্মহত্যার অভিযোগ যশোর জেনারেল হাসপাতালে ওষুধের হিসাব মেলেনি, তদন্ত কমিটি গঠন আন্দালিব রহমান পার্থকে এনপিজেএ বাংলাদেশের অভিনন্দন যশোর রেলরোড এলাকায় বসতঘরের চাল কেটে চুরি, স্বর্ণ-নগদ টাকা লুট এনপিজেএ আন্তর্জাতিক সাংবাদিক সংগঠনে বাংলাদেশের উপদেষ্টা প্যানেলে তিনজনের নিয়োগ যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পোর্টাল সাংবাদিকদের সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক সংগঠন NPJA-এর বাংলাদেশ কমিটি ঘোষণা যশোরে শিক্ষককে বিদ্যালয় থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ যশোর সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে আ-গুন, আতঙ্কে রোগীদের ছোটাছুটি চৌগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ব্যক্তি, অবস্থা আশঙ্কাজনক

ধর্ষণ অভিযোগ ঘিরে মামলার জটিলতা—মনিরামপুর ঘটনার সঙ্গে যশোরের সাংবাদিকদের কোনো যোগসুত্র নেই

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৮২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

যশোরের মনিরামপুরে একটি ধর্ষণ অভিযোগকে কেন্দ্র করে পরবর্তী সময়ে চাঁ’দা’বা’জি মামলাসহ নানা বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনাকে ঘিরে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই যশোরের সাংবাদিকরা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন—মনিরামপুরের ওই ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো ধরনের যোগসুত্র নেই।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সামিয়া আফরুজ প্রথমে মনিরামপুরে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। পরে তিনি যশোরে এসে একাধিক সংবাদ সম্মেলনে ওই অভিযোগ অস্বীকার করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য, অভিযোগ এবং আইনি পদক্ষেপের কারণে পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করে।

এদিকে ডা. রাফসান জানি যশোর কোতয়ালী আমলী আদালতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩৮৯/৩৪ ধারায় চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। এতে বলা হয়, সাংবাদিক পরিচয়ে একটি চক্র তার কাছ থেকে অর্থ দাবি করে এবং না দিলে ধ’র্ষ’ণ মামলা ও চাকরি হারানোর ভয় দেখায়।

তবে যশোরের সাংবাদিকদের দাবি, তারা কেবল একটি সংবেদনশীল অভিযোগের তথ্য যাচাই ও সংবাদ প্রকাশের পেশাগত দায়িত্ব পালন করেছেন। মনিরামপুরে ঘটে যাওয়া মূল ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা নেই।

সাংবাদিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, মনিরামপুর থানার পুলিশ, স্থানীয় সাংবাদিক কিংবা রাফসান জানি ও সামিয়া আফরুজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্য ব্যক্তিদের সঙ্গে যশোরের সাংবাদিক রিটন, শামিম ও সেতুর কোনো যোগাযোগ বা পরিচয় নেই। তারা একে অপরকে ব্যক্তিগতভাবেও চেনেন না বলে দাবি করা হয়েছে।

তাদের মতে, একটি ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ বা প্রকাশের কারণে অন্য এলাকার ব্যক্তিদের সঙ্গে অযৌক্তিকভাবে সম্পৃক্ত করা বিভ্রান্তিকর। এ ধরনের প্রচারণা সাংবাদিকদের পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে বলেও তারা উল্লেখ করেন।

এদিকে পুরো ঘটনাপ্রবাহে বক্তব্যের ভিন্নতা, অভিযোগের অসঙ্গতি এবং সময়ের ব্যবধান নিয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠেছে। এসব কারণে বিষয়টি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

যশোরের সাংবাদিকরা এ পরিস্থিতিতে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাদের বক্তব্য, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের বক্তব্য, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও প্রযুক্তিগত তথ্য যাচাই করা জরুরি।

বর্তমানে ঘটনাটি শুধু একটি মামলার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বিস্তৃত আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার যশোর জার্নাল এ সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।

ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট