
স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার রাতের পর বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরেও টেকনাফের হোয়াইক্যং ও হ্নীলা সীমান্তের বিপরীত দিক থেকে কয়েক দফা বিস্ফোরণের শব্দ ভেসে আসে। এ সময় সীমান্তের ওপারে ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে বলেও দাবি করেছেন কয়েকজন বাসিন্দা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ-সংক্রান্ত কিছু ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে, যদিও সেগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এর আগে বুধবার রাতে সীমান্তের ওপারে মংডু এলাকায় বিমান থেকে বো’মা হামলার খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।
উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, বিস্ফোরণের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সীমান্তে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, দুপুরের দিকে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনার পর সীমান্ত এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই নিরাপদ স্থানে সরে যান। নাফ নদীতে মাছ ধরতে যাওয়া কয়েকজন জেলেও শব্দ শুনে দ্রুত ফিরে আসেন বলে জানিয়েছেন।
হোয়াইক্যং ইউনিয়নের এক জনপ্রতিনিধি বলেন, গত এক বছরে সীমান্তের ওপারে বিভিন্ন সশস্ত্র পক্ষের সংঘর্ষের কারণে সীমান্তবাসী দীর্ঘদিন আতঙ্কে ছিলেন। নতুন করে বিস্ফোরণের ঘটনায় সেই উদ্বেগ আবারও বেড়েছে।
এদিকে টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া জানান, সীমান্তে বিজিবির সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি সীমান্তবর্তী বাসিন্দাদের গুজবে কান না দিয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।